শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৩

২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচিঃ-

বাংলা তারিখ : বদলাচ্ছে ৫৬৮ বছরের রীতি

 বর্তমানে জমির খাজনা আদায় করা হয় বাংলা তারিখ অনুযায়ী। কিন্তু ভূমি উন্নয়ন কর আইন সংশোধন করে বাংলার বদলে ইংরেজি অর্থবছরে কর আদায় করা হবে। গত ২৮ মার্চ আইনটি নীতিগত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। যা সংসদে পাস হলে বদলে যাবে ৫৬৮ বছরের প্রচলিত রীতি।

আজ ১৪ এপ্রিল দেশ রূপান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন আশরাফুল হক। 

বিস্তারিত পড়ুন: সরকার কেন সুদীর্ঘকালের রীতি ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানতে চাইলে ভূমি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব খলিলুর রহমান বলেছেন হিসাবসংক্রান্ত সুবিধার কথা। অর্থবছরের সঙ্গে বাংলা সনের মিল নেই। মাঠপর্যায়ে এ খাত থেকে বাংলা সন অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে সমস্যা হয়। সেই সমস্যা থেকে বের হয়ে আসার জন্য এ আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

গত প্রায় এক দশক ধরে ভূমি উন্নয়ন কর আইন সংশোধন নিয়ে কাজ করছে ভূমি মন্ত্রণালয়। শুরু থেকেই কর্মকর্তারা বাংলা বর্ষপঞ্জিমতে ভূমি কর আদায়ের ধারাটি বদলে ফেলার চেষ্টা করছেন। এ নিয়ে নানা মত ছিল কর্মকর্তাদের মধ্যে। খসড়া আইনটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পরও ভিন্নমত রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তার মতে, এ ধারাটি বহাল রাখা যেত ঐতিহ্যের স্বার্থে। বাংলার বদলে ইংরেজি খ্রিষ্টাব্দ অনুযায়ী কর আদায় করলে সরকারের কর যা আছে তাই থাকবে। এ রেওয়াজটা বদলে ফেলা হলে দেশ থেকেই কার্যকরভাবে বাংলা তারিখের ব্যবহার উঠে যাবে। বর্তমান ধারায় এমন কোনো আর্থিক বিশৃঙ্খলা হয় না। শুধু হিসাবটা ইংরেজির সঙ্গে মিলিয়ে নিলেই হয়। বাংলার স্বার্থে এ মিলিয়ে নেওয়ার জটিলতাটুকু মেনে নেওয়া উচিত।

এসব কর্মকর্তার মতে, ২০১৯-২০ খ্রিষ্টাব্দে ইংরেজি বর্ষপঞ্জির জানুয়ারি-ডিসেম্বর অনুযায়ী বাজেট ঘোষণার আলোচনা উঠেছিল। তাদের যুক্তি ছিল অর্থবছরের (জুলাই-জুন) প্রথম কয়েক মাস বর্ষা থাকায় সময়ভিত্তিক উন্নয়নকাজ শুরু করা যায় না। বাজেট ঘোষণা ইংরেজি বর্ষপঞ্জির শুরুর মাসে হলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সুবিধা হবে। কিন্তু তাদের এ প্রস্তাব আমলে নেয়নি সরকারের নীতিনির্ধারক মহল।


গত ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই আইনানুযায়ী ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের বর্ষ অর্থবছর (জুন-জুলাই) অনুযায়ী হবে। বর্তমানে তা বাংলা সন (বৈশাখ-চৈত্র) অনুযায়ী হচ্ছে।

ঢাকা বিভাগের একজন জেলা প্রশাসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরাই ভূমি কর আদায় করি। যত জটিলতার কথা বলা হচ্ছে, বিষয়টি আসলে তত জটিল নয়। রেওয়াজ ভেঙে এটা ইংরেজি বর্ষে আনলে কোনো লাভ বা ক্ষতি নেই। তাহলে কেন দীর্ঘদিনের রেওয়াজ ভাঙতে হবে। আমর মনে হয় প্রধানমন্ত্রী এটা জানেন না। তিনি জানলে বিষয়টি মানবেন না বলে আমার বিশ্বাস।’

ভূমি উন্নয়ন কর ছাড়াও আরও কিছু ক্ষেত্রে বাংলা সনের প্রচলন রয়েছে। কিন্তু এসবের ব্যবহার ভূমি উন্নয়ন করের মতো সর্বব্যাপী নয়, খুবই নির্বাচিত কিছু মানুষ তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। সরকারের প্রকাশনা গেজেটে ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা তারিখ গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়। ২০ এপ্রিল নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণার যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, তার ডানদিকে তারিখ রয়েছে। ওপরের তারিখটি বাংলায় এবং নিচের তারিখ ইংরেজিতে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য গেজেটেও একই প্রক্রিয়ায় বাংলা এবং ইংরেজি উভয় তারিখ উল্লেখ করা হয়। মৎস্যজীবীদের মধ্যে জলমহাল ইজারা দেওয়া হয় বাংলা তারিখ অনুযায়ী। বালুমহালও ইজারা দেওয়া হয় একইভাবে। হাট-বাজারের ইজারাও দেওয়া হয় বাংলা তারিখ অনুযায়ী।

ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের বর্ষপঞ্জি বদলাতে পারলে ভবিষ্যতে তারা বালুমহাল, হাট-বাজার ইজারা দেওয়ার বর্ষপঞ্জিও বদলানোর চেষ্টা করবেন বলে আশঙ্কা করছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা।

ভারতবর্ষে মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর হিজরি বর্ষ অনুসারে খাজনা আদায় করা হতো। কিন্তু হিজরি সন চাঁদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে কোনো মিল ছিল না। ফলে অসময়ে কৃষকদের খাজনা দিতে বাধ্য করা হতো। খাজনা আদায়ে সুবিধার জন্য মোগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।

ইতিহাস অনুসারে বাংলা সনের প্রবর্তনের সময় ধরা হয় ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দকে। ওই খ্রিষ্টাব্দেই আকবর দ্বিতীয় পানিপথের যুদ্ধে আদিল শাহ শুরের সেনাপতি হিমুকে পরাজিত করে দিল্লির সিংহাসনে বসেছিলেন।

বাদশাহ আকবর তার সভাসদ জ্যোতির্বিদ আমির ফতুল্লাহ শিরাজির সহযোগিতায় ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১১ মার্চ থেকে ‘তারিখ-এ-এলাহি’ নামে নতুন এক বছর গণনা পদ্ধতি চালু করেন। সে সময় কৃষকদের কাছে এটি ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত হয়, যা পরে ‘বাংলা সন’ বা ‘বঙ্গাব্দ’ হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

নতুন এ খ্রিষ্টাব্দ আকবরের রাজত্বের ২৯তম বর্ষে চালু হলেও তা গণনা আরম্ভ হয় ১৫৫৬ খিস্টাব্দের ৫ নভেম্বর থেকেই, কারণ ওইদিনই দ্বিতীয় পানিপথের যুদ্ধে তিনি হিমুকে পরাজিত করেছিলেন।

ইতিহাসের এ ঘটনা টেনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মন্তব্য করেছেন, কী দরকার ৫৬৮ বছরের ইতিহাস বদলের। যেকোনো জাতীয় দিবসে ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা তারিখ ব্যবহার করতে হাইকোর্টের রুল রয়েছে। ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে এ রুল দেওয়ার পর প্রশাসনে বাংলা তারিখের ব্যবহার কিছুটা বেড়েছে।

জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা বলেছেন, বর্ণিলভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করলেও বাংলা সন কিংবা বাংলা তারিখ বাঙালির দৈনন্দিন জীবনে উপেক্ষিত। অনেকে জানেই না বর্তমানে কোন বাংলা সন চলছে কিংবা কোন বছর শুরু হতে যাচ্ছে। সর্বক্ষেত্রে বাংলা উপেক্ষিত থাকার কারণেই মূলত এটি ঘটছে। বিশ্বায়নের এ যুগে বাংলা সন কিংবা তারিখের যেন কোনো মূল্য নেই। স্কুল-কলেজের বাৎসরিক সূচি শুরু হয় ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে। কর্মজীবীরা তাদের বেতন পান ইংরেজি মাসের প্রথম সপ্তাহে। বিশ্বায়নের এ যুগে আমাদের মধ্যে পাশ্চাত্য সংস্কৃতি বাসা বেঁধেছে। আমরা আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির চর্চা করছি না। একটু চেষ্টা করলেই আমরা আমাদের জীবনে বাংলা সন এবং তারিখের প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি করতে পারতাম। কিন্তু আমরা শুধু অন্যদের নকল করে গেছি। নিজেরা কিছু সৃষ্টি করিনি। তাই আজ এ অবস্থা। চাইলে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মজীবীদের বেতন বাংলা মাসের প্রথম সপ্তাহে দেওয়া যায়। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচি বাংলা সনের প্রথম মাস থেকে শুরু করতে কোনো সমস্যা নেই। এ দুটো কাজ করা গেলে বাংলা সন এবং তারিখ মনে রাখতে আমরা বাধ্য হব।

সূত্র: দৈনিক শিক্ষা, ১৪ এপ্রিল, ২০২৩।

বৃহস্পতিবার, ৪ আগস্ট, ২০১৬

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য ২০১৫ সালের অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফল অদ্য ০৪/০৮/১৬ তারিখ সন্ধ্যা ৭:০০ টায় প্রকাশ করা হবে। এ পরীক্ষায় ২৯ টি অনার্স বিষয়ে সারাদেশে ৬১৯  টি কলেজের ২১১  টি কেন্দ্রে নিয়মিত, অনিয়মিত ও মানোন্নয়নসহ  ২,৭৭,২৯৬ (দুই লক্ষ সাতাত্তর হাজার দুইশত ছিয়ানব্বই) জন পরীক্ষার্থী  পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে । উত্তীর্ণের হার ৯০.১১।
এ পরীক্ষার ফল ঝগঝ এর মাধ্যমে যে কোন  মোবাইল Message অপশনে গিয়ে nu<space> H1 <space> Roll/Reg. No লিখে ১৬২২২ নম্বরেSend করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd এবং   www.nubd.info  থেকে পাওয়া যাবে ।

রবিবার, ৩১ মে, ২০১৫

এক্সেল এর কি-বোর্ড শটকার্ট জেনে নিন

Ctrl+Arrow : ডানে, বামে, ওপরে এবং নিচে লেখার শেষে কারসর যাবে।
Ctrl+Home : ফিল্ড বা লেখার শুরুতে কারসর।
Ctrl+End : ফিল্ড বা লেখার শেষে কারসর।
Ctrl+Page Up : আগের পৃষ্ঠা বা ওয়ার্কশিটে যাওয়া।
Ctrl+Page Down : পরের পৃষ্ঠা বা ওয়ার্কশিটে যাওয়া।
Atl+Page Up : ডকুমেন্টের প্রথম কলামে অবস্থান করা।
Atl+Page Down : ডকুমেন্টের শেষ কলামে অবস্থান করা।
Atl+Enter : ফিল্ডে কারসর রেখে দুই ক্লিকের মাধ্যমে পরের লাইন তৈরি করা।
Shift+TAB : পেছনের ফিল্ড থেকে প্রথম ফিল্ডে একেক করে যাওয়া।
Ctrl+1 : ফন্ট, বর্ডার, নম্বর ইত্যাদির পরিবর্তন করা।
Ctrl+2 : ফন্ট বোল্ড করা।
Ctrl+3 : লেখাকে ইটালিক করা।
Ctrl+4 : লেখা আন্ডারলাইন করা।
Ctrl+5 : লেখার মাঝখান বরাবর কাটা দাগ (স্ট্রাইক থ্রু)
Ctrl+7 : স্ট্যান্ডার্ড টুলবার সরিয়ে দেওয়া। 

Ctrl+9 : কারসর যে ফিল্ডে আছে, তা মুছে ফেলা (রো ডিলিট)
Ctrl+0 : কলাম ডিলিট।
Atl+F1 : ওয়ার্কশিটের সঙ্গে চার্টশিট যুক্ত করা।
Atl+F2 : সেভ অ্যাজ।
Ctrl+F3 : ডিফাইন ডায়ালগ বক্স খোলা।
Ctrl+F4 : ফাইল বন্ধ করা।
Ctrl+F5 : ফাইল নামসহ আদালা উইন্ডো।
Ctrl+F8 : ম্যাক্রো তৈরির জন্য ডায়লগ বক্স খোলা।
Ctrl+F9 : ফাইল মিনিমাইজ করা।
Ctrl+F10 : ফাইল নামসহ আলাদা ইউন্ডো।
Ctrl+F11: ওয়ার্কশিটের সঙ্গে ম্যাকরো শিট যুক্ত করা।
Ctrl+F12 : ওপেন ডায়ালগ বক্স
এস.এস.সি-2015 পরীক্ষার ফলাফল পুনঃতদন্ত


শনিবার, ২৪ মে, ২০১৪

MS Word এ a-z পর্যন্ত অক্ষর দিয়ে Shortcut Key

Ctrl+ (A থেকে Z) অক্ষর দিয়ে Shortcut Key

Ctrl+A  =  All select.
Ctrl+B  =  Bold.
Ctrl+C  =  Copy.
Ctrl+D  =  Font.
Ctrl+E  =  Center Alignment.
Ctrl+F  =  Find
Ctrl+G =  Go
Ctrl+H =  Replace
Ctrl+I  =  Italic
Ctrl+J =  Justify Alignment

শনিবার, ১৭ মে, ২০১৪

বাবরি মসজিদ বনাম রাম মন্দির

ইতিহাসের পাতা থেকে....

সেই বিখ্যাত বাবরি মসজিদ

বাবর ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দে উত্তর ভারতের কিছু অংশ দখল করেন কিন্তু তাই বলে তাকে মোগল সাম্রাজ্যের স্খাপক বলা যায় না কারণ কোনো সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে হলে কেবল বিস্তীর্ণ ভূ-ভাগ দখল করলে হয় না, সেখানে প্রতিষ্ঠা করতে হয় প্রশাসন কিন্তু শাসনসংক্রান্ত সংগঠন গড়ে তোলার আগেই বাবর মারা যান বাবরি মসজিদ বাবর নির্মাণ করেননি বাবরি মসজিদ নির্মাণ করেন বাবরের সাথে আগত মীর বাকী নামে একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি বাবরি মসজিদের মধ্যে প্রাপ্ত প্রস্তরফলক থেকে জানা যায়, মীর বাকী মসজিদটি স্খাপন করেন ৯৩৫ হিজরিতে, খ্রিষ্টাব্দের হিসাবে যা দাঁড়ায় ১৫২৮ বাবরি মসজিদ একটি মামুলি মসজিদ মাত্র; যা কোনো উন্নত স্খাপত্যের নিদর্শন নয় বাবর উত্তর ভারতে আসার আগেই উত্তর ভারতে মুসলিম স্খাপত্যের বিশেষ রীতি গড়ে উঠেছিল তা গড়ে উঠেছিল মিনার, গম্বুজ প্রকৃত খিলানকে নির্ভর করে কেবল উত্তর ভারতে নয়, দক্ষিণ ভারতে বাহমনি সুলতানদের নেতৃত্বেও গড়ে ওঠে একটা বিশিষ্ট মুসলিম স্খাপত্য রীতি বাবরি মসজিদের নাম বিশেষভাবে আলোচনায় আসতে পেরেছে তাই এই মসজিদকে কেন্দ্র করে হিন্দু-মুসলিম সঙ্ঘাতের কারণ ঘটছে

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

MS Word-এ ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে ওয়াটারমার্ক Image/Text ব্যবহার



MS Word-এ লেখার পেছনে কোন লেখাকে বা ছবিকে ওয়াটার কালারের মতো ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়এজন্য MS Word 2003-এর ক্ষেত্রে মেনুবারের Format থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড অপশনে যান এবং Printed Watermark... নির্বাচন করুন

শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৩

পার্টিশন করুন আপনার হার্ডডিস্কে কোন কিছু ডিলিট না করে


যদি আপনার ল্যাপটপের বা ডেক্সটপের হার্ডডিস্কে C ড্রাইভ ছাড়া অন্য কোনো ড্রাইভ নেই কিংবা দুটি অথবা তিনটি ড্রাইভ আছে, তারা ইচ্ছে করলে সহজেই অপারেটিং সিস্টেম ও অন্যান্য কনটেন্ট ডিলিট না করেই

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

লুকিয়ে রাখুন কম্পিউটারের ড্রাইভ


যদি আপনি আপনার ব্যক্তিগত কোনো ধরনের ডকুমেন্ট যা আপনি কাউকে দেখাতে চাচ্ছেন না তাহলে হাইড করে ফেলুন আপনার সেই নির্দিষ্ট ড্রাইভটি। প্রথমে Start মেনু থেকে Run-এ যেতে হবে

মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৩

এবার মোবাইল চুরি করলেন তো ফেসে গেলেন

বর্তমানে মোবাইল ফোন চুরি কিংবা ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাচ্ছে। এ প্রবণতা রাজধানী ঢাকায় সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখন চুরি বা ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন কিনলেই পড়তে হবে বিপাকে। এমনকি আইনি বেড়াজাল থেকেও রেহাই মিলবে না। যত দূরত্বে আর যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোন আর সচল থাকবে না। শুধু তাই নয়, অপরাধীকেও শনাক্ত করা যাবে যখন-তখন। সংবাদমাধ্যম সূত্র এ তথ্য দিয়েছে। 

শুক্রবার, ২ নভেম্বর, ২০১২

গুগলে দেখুন বিশ্ব মহাগ্রন্থাগার

গুগল হচ্ছে একটি সার্চ ইঞ্জিন। তাই আমরা গুগল থেকে যে কোন তথ্য খুজে সেগুলো সম্পর্কে সম্যক ও পরিপূর্ন ধারণা পাই। গুগলের এ শত সহ্রস সুবিধা ও আইটেমের মধ্যে http://books.google.com গুগল বুক সেন্টার বা গুগল লাইব্রেরী বা গুগল মহাবিশ্বগ্রন্থগার একটি অন্যতম। গুগল গ্রন্থাগারের উদ্দেশ্য বিশ্বের তাবৎ জ্ঞানকে ডিজিটাইজ করে সেটিকে সবার নাগালে নিয়ে আসা। আর এ কারনেই বড় বড় কয়েকটি ইউনিভার্সিটি লাইব্রেরীর সাহায্য নিয়ে ২০০২ সাল থেকে বই স্কানিং এবং ডিজিটাইজ করার উদ্যোগ হাতে নিয়েছে গুগল। ২০০৯ সালের এপ্রিল নাগাদ প্রায় ৭০ লক্ষ বইকে স্ক্যান করে। উপরের প্রদত্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সার্চ বক্সে আপনি যে কোন বইয়ের নাম দিয়ে সার্চ করলে পেয়েও যেতে পারেন আপনার কাঙ্খিত বইটি। বর্তমানে বইয়ে সংখ্যা ২০ মিলিয়নের উপরে।

মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১২

ফেসবুক ও অন্যান্য সোশ্যাল সাইট

অনেকেই হয়তো বলতে পারেন ফেসবুক থাকার পরে অন্য কোন সোশ্যাল সাইটের প্রয়োজন অর্থহীন। কিন্ত বর্তমানে ফেসবুক ছাড়াও বেশ কিছু সোশ্যাল সাইট রয়েছে।